নিজস্ব প্রতিবেদক :-
১৪১ জামালপুর সরিষাবাড়ী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন একজন ক্লিন ইমেজ ব্যক্তি। সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানে বহিস্কার আদেশ এখনি প্রত্যাহার হচ্ছেনা জানা গেছে, বহিস্কার প্রত্যাহার না হলে মনোনয়ন আশা একেবারে ক্ষীণ । খোঁজ নিয়ে জানা গেছে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ মুরাদ হটাও নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন, তাতে করে অনেক নেতৃবৃন্দ এর মাঝে একজনের সাংসদ হওয়ার মনোবাসনা পূর্ণ হতে পারে।
মনোনয়ন প্রত্যাশী ডজন খানেক থাকলেও দৌড়ে এগিয়ে আছেন অধ্যক্ষ আবদুর রশীদ ও আনিছুর রহমান এলিন। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের গুড লিষ্টে দুইজনের নাম আছেন, তাই সরিষাবাড়ী এর নৌকার মাঝি দুইজনের একজন হয়ে যেতে পারেন।
মূলত জামালপুর আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ( এমপি ), কিন্তু অধ্যক্ষ রশীদ সাহেব এখনো মির্জা আজম সাহেবের সাথে মধুর সম্পর্ক তৈরি করতে পারেননি কিন্তু এলাকায় বেশ জন সমর্থন আছে । সেদিক থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিছুর রহমান এলিনের মনোনয়ন পাবার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে এবং তৃণমূল নেতাদের সাথে বেশ যোগাযোগ রাখছেন, তিনি শতভাগ আশাবাদী বলে জানিয়েছেন।
দিন যাচ্ছে আর সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন্দল তীব্র আকার ধারন করছে, এখন গ্রুপিং স্পষ্টত তিন ভাগে বিভক্ত।
সম্প্রতি এমপি প্রার্থী ঘোষণা দেওয়া সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা কাওসার পাঠান বাপ্পি ব্যানার পোষ্টার ছিনতাই ও এলিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার হয়েছে, এমন অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচনের মাঠে ধানের শীষের প্রতিকে জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জনাব ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম নির্বাচিত হয়ে যাবেন।
অন্যদিকে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের ভিতরে লবিং ও প্রচারণা চালাচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেন বাদশা, কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান হেলাল ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এনামুল হক খাঁন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি এখনো হয়নি, সম্মেলনের কয়েকদিন আগে সভাপতি ছানোয়ার হোসেন বাদশা ও সিনিয়র সহ সভাপতি প্রিন্সিপাল আবদুর রশীদের বক্তৃতাকে কেন্দ্র করে বিরোধ তৈরি হয়, তা এখনো চলমান।
বর্তমান এমপি মুরাদ হাসানের অনুসারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে মনোনয়ন তাদের নেতাই পাবেন এমনাটাই এখনো আশা করেন। যদি না পান এমন প্রশ্নে সানোয়ার হোসেন বাদশা কিংবা আনিছুর রহমান এলিন কে মনোনীত করার কথা ব্যক্ত করেন, তার প্রধান কারন মুরাদ হাসান ও রশীদ প্রিন্সিপাল গ্রুপের প্রকাশ্য বিরোধ চলছে । জেলা আওয়ামী লীগ সংকট নিরসনে এগিয়ে না আসলে সাংগঠনিক কাজ ও নির্বাচনের মাঠে বিপর্যয় নিশ্চিত।